
গাজার কসাই নেতানিয়াহু: এরদোগান
গাজার কসাই নেতানিয়াহুর হুমকির মুখে অবিচল অবস্থান বজায় রাখায় আমি আমার প্রিয় বন্ধু ও স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।
আমরা জালেমকে জালেম, ডাকাতকে ডাকাত এবং খুনিকে খুনি বলা অব্যাহত রাখব
আমাদের অঞ্চলে যদি শান্তি আসতেই হয়, তবে তা অর্জন করতে হবে এই জায়নবাদী (ইসরায়েলি) শাসনব্যবস্থাকে উপেক্ষা করেই।
যদি এ অঞ্চলে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে হয়, তবে তা সম্ভব হবে ‘প্রতিশ্রুত ভূমির’ মোহে আচ্ছন্ন ইসরায়েলি সরকারকে অগ্রাহ্য করার মাধ্যমেই।
রক্তাক্ত এই জনপদে যদি শান্তি ফেরাতে হয়, তবে তা আসবে ইসরায়েলকে মোকাবিলা করেই; যারা অন্যদের নিরাপত্তাহীনতাকে নিজেদের নিরাপত্তার চাবিকাঠি মনে করে। কারণ যখনই শান্তির সামান্যতম আশা জাগে, ইসরায়েল অতীতের মতোই নানাভাবে তা নস্যাৎ করার চেষ্টা চালায়।
মানবতার পক্ষ যখন এই অঞ্চলের আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছে, তখন এই গণহত্যাকারী চক্র আগুনের শিখায় আরও জ্বালানি জোগাচ্ছে। আর এসব করার সময় তারা তুরস্ক ও স্পেনের মতো শান্তিকামী দেশগুলোকে নির্লজ্জভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানো অব্যাহত রাখবে।
তারা তাদের ভাড়াটে কলমবাজ, গণমাধ্যম এবং ক্রীড়নক ব্যবহার করে বিবেকবান মানুষের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করবে।
কিন্তু তারা যা-ই করুক না কেন, সাহসী হৃদয়ের মানুষদের তারা স্তব্ধ করতে পারবে না; সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করা হৃদয়গুলোকে শিকল পরানো তাদের পক্ষে কখনোই সম্ভব হবে না।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে এবং আমাদের দেশকে যারা অপমান করছে, সেই শিশু হত্যাকারীদের আমি আবারও কিছু সত্য মনে করিয়ে দিতে চাই।
তুরস্ক প্রজাতন্ত্র কোনো সাধারণ রাষ্ট্র নয়। কোনো শক্তিই তুরস্ক কিংবা তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দিকে আঙুল তোলার সাহস রাখে না।
প্রতিটি নতুন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা এটিই লক্ষ্য করছি যে—তুর্কি, কুর্দি এবং আরবদের শত্রু মূলত একই।
তাদের হাত ও মুখ গাজার ৭৩,০০০ মানুষের রক্তে রঞ্জিত; সেই কলঙ্কিত চেহারার দিকে না তাকিয়েই তারা নির্লজ্জভাবে আমাদের কুর্দি ভাইদের ঢাল বানিয়ে আমাদের দেশের নামে অপবাদ দিচ্ছে।




